শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের শংকরকাটি গ্রামে অসুস্থ স্বামীকে রেখে পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে এক সন্তানের জননী প্রেমিক কাকা শশুরের হাত ধরে উধাও। এ ঘটনায় স্বামী বাদি হয়ে শ্যামনগর থানায় অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার শংকরকাটি গ্রামের অমল বৈরাগীর ছেলে নিত্যানন্দ কুমার কাচামাল ব্যাবসায়ী ছিলেন। রোড এক্সিডেন্টে গুরুতর আহত হয়ে শয্যাসায়ী আছেন দু-বছর যাবত। তার এ দুঃসময়ে স্ত্রী লিপিকা বৈরাগী (৩১) কাকা শশুর একই গ্রামের দেবব্রত বৈরাগীর (৪৩) সাথে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। জানতে পেরে নিত্যানন্দ তার শশুরকে জানালে তিনি এসে এবিষয় জেনেও কোনো সমাধান করেনি এবং মেয়ে লিপিকাকেও শাসন করেননি। এরপর সে আরো বেপরোয়া হয়ে যায়। এদিকে অসুস্থ নিত্যানন্দ দেশে চিকিৎসায় সুফল না পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে শেষ সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে চার লক্ষ টাকায়, গরু বিক্রি করেন নব্বই হাজার টাকায়। বাড়িতে বিপুল পরিমানে নগদ টাকা থাকায় নিত্যানন্দ বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে তার চিকিৎসার জন্য রাখা নগদ চার লক্ষ নব্বই হাজার টাকা ও একটি স্বর্নের চেইন ও এক জোড়া কানের দুল নিয়ে লিপিকা বৈরাগী ও দেবব্রত বৈরাগী গত ১৩ এপ্রিল পালিয়ে যায়। অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে নিত্যানন্দ বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় লিপিকা বৈরাগী ও দেবব্রত বৈরাগী এবং তার শশুর অভিমান্য গায়েনকে বিবাদী করে একটা অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী নিত্যানন্দর দাবি একমাত্র সন্তানকে রেখে আমার স্ত্রী চলে গেছে দুই মাস হয়ে গেছে। এবিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি। আমার আর এমন কোনো কিছু অবশিষ্ট নেই যা দিয়ে নিজে চিকিৎসা হব। আমি সুষ্ঠ বিচার চাই, যাতে আমার জমি বিক্রির টাকা গুলো ফেরত পাই আর চিকিৎসা হয়ে আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি।
এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান বলেন আমি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply